Skip to main content

Posts

Showing posts from December, 2018

দুই নিকায় এর মিলন মেলা

গত ২১ ডিসেম্বর সাতকানিয়া শীলঘাটা সংঘদান অনুষ্টানে দুই উপসংঘরাজ উপস্থিতিতে উভয় নিকায় মিলে অনুষ্টান অনুষ্ঠিত হয়।,এতে বৌদ্ধ সমাজের এক মিলন মেলার সৃষ্টি হয়।
নিউজ-দিপ্ত বড়ুয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক, রাংগুনিয়া।

খাগড়াছড়িতে ধ্বংস করা বুদ্ধ মূর্তি পুণঃনির্মাণ করে দিলেন উপজেলা প্রশাসন

গুইমারা উপজেলাধীন হাফছড়ি ইউনিয়নস্ত দূর্গম কুকিছড়া এলাকায় জেতবন বৌদ্ধবিহার ও  বৌদ্ধ মূর্তি উদ্বোধন করা হয়। গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাবু পঙ্কজ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মো: শহীদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাংগা জোনের উপ অধিনায়ক মেজর ইমরুল। বৌদ্ধ মন্দির এবং বৌদ্ব মূর্তি উদ্বোধনের পর এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। এতে আর ও বক্তব্য রাখেন গুইমারা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব উশ্যেপ্রু মারমা, গুইমারা থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব বিদ্যুৎ কুমার বড়ুয়া, গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব মেমং মারমা, হাফছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব চাইথোয়াই চৌধুরী এবং বৌদ্ব ভিক্ষু মহোদয়। উল্লেখ্য, উক্ত বৌদ্ধবিহার এবং বৌদ্ধ মূর্তি গত ২২ অক্টোবর ২০১৮ খ্রি: দিবাগত রাতে কতিপয় দূস্কৃতিকারি ভেংগে ফেলেন। এতে এলাকার জনসাধারণ এর মনে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গত ২৪ অক্টোবর উপজেলাধীন চাইন্দামুণি বৌদ্ধ মন্দিরে জেলা প্রশাসক, খাগড়াছড়ি, রিজিয়ন কমান্ডার, গুইমারা, চেয়ারম্যান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ, পুলিশ …

ধর্মসেনাপতি সংঘবন্ধু অজিতান্দ মহাস্থবির এর পৈত্রিক সম্পত্তি হস্থান্তর

গত ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সভাপতি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পৌরসদর কেন্দ্রিয় ইছাখালি অশোকারাম বিহারের প্রতিষ্ঠাতা ও রাঙ্গুনিয়া ধর্মারত্ন অনাথ আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ধর্মসেনাপতি সংঘবন্ধু অজিতান্দ মহাস্থবির এর পিতা:মৃত কামিনী কুমার বড়ুয়া,মাতা:প্রফুল্ল কুমারী বড়ুয়া শ্রদ্ধেয় ভান্তের জন্মভূমি রাজানগরে তার পৈত্তিক সম্পত্তির খতিয়ান,কবলা ও যাবতিয় কাগজপত্র তাহার ভাতূষ পুএ -১। বিকাশ বড়ুয়া,২। নিকাশ বড়ুয়া,৩। শ্যামল বড়ুয়া ৪। সুনিল বড়ুয়া (নাতি-রাজু বড়ুয়া,( ইছাখালি অশোকারাম বিহারের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক -সুমঙ্গল মহাস্থবির) তাদের হাতে হস্তান্তর করেন এই সমই উপস্থিত ছিলেন ভান্তের ভাতূষ পুত্র গন ও প্রয়াত ভান্তের বিশ্বস্ত মো:ফজু রহমান সহ প্রমুখ।

নিউজ -দিপ্ত বড়ুয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক, রাংগুনিয়া


পরলোকে মিনতী বডুয়া

অনিচ্চা বতা সাঙ্খারা 

কুলকুরমাই সদ্ধর্মোদয় বৌদ্ধ বিহারের বিশিষ্ট উপাসিকা শ্রীমতি মিনতী বড়ুয়া(সজলের মা)।পরম পূজনীয় শাসনরত্ন ভদন্ত ধর্মসেন মহাস্হবির ভান্তের বড় বোন।আজ ২৭শে ডিসেম্বর সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে পরলোক গমন করেন।
 আগামীকাল ২৮শে ডিসেম্বর রোজ শুক্রবার বিকাল ২ ঘটিকার সময় তাহার শেষকৃত্ব অনুষ্টান সু সম্পন্ন করা হবে।

বৃক্ষের ছায়ায় অধ্যায়নরত ভিক্ষু

বসুমিত্র মহাস্থবির ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি

শাসন সদ্ধর্মের অনন্য আলোক বর্তিকা, সদ্ধর্ম জ্যোতিকাধ্বজ, গ্রন্থ প্রণেতা চন্দনাইশ ভিক্ষু পরিষদের প্রাক্তন  সভাপতি, পন্ডিত প্রবর  বসুমিত্র মহাস্থবির  হঠাৎ অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রাম  ম্যাক্স  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমরা তাহার দ্রুত  আরোগ্য কামনায় আমাদের  জীবনের অর্জিত  পূণ্যরাশি দান করছি।। আপনারা ও পূন্যরাশি দান করুন, যাতে শ্রদ্ধেয় ভান্তে দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে পারে।

জ্ঞান পরীক্ষা জাতক

পুরানকালে বারাণসি রাজা ব্রম্মদত্তের সময় বোধিসত্ত্ব এক ব্রাহ্মণকুলে জন্মগ্রহন করে ঋষিপ্রবজ্যা গ্রহনকরেন। একদিন লবণ ও অম্ল সংগ্রহের জন্য তিনি বারাণসিতে উপস্থিত হলেন। পরদিন তিনি ভিক্ষার জন্য নগরে গেলেন। একদিন এক সঙ্গতি সম্পন্ন লোক বোধিসত্ত্বের জ্ঞান পরীক্ষা করার অভিপ্রায়ে তাঁকে তার বাড়িতে নিয়ে গেলেন। তারপর একটা আসন দেখিয়ে বস্তে বলল। তারপর মাছ মাংস প্রভৃতি রান্না করে তাঁকে ভোজন করাল। পরে একপাশে বসে বলতে লাগল, আপনার উদ্দেশ্যেই প্রাণী বধ করে এই মাংস সংগ্রহ করা হয়েছিল। অতএব এতে যে পাপ হয়েছে তা আপনার, আমার নয়। বোধিসত্ত্ব একটি গাথার মাধ্যমে বললেন, দুরাচারগণ তাঁকে মাংস দিতে পারে। কিন্তু অতিথি যদি প্রজ্ঞাবান হন তাহলে তাতে যে পাপ হয় তা তাঁকে স্পর্শ করতে পারে না। বোধিসত্ত্ব এই কথা বলে গৃহস্থকে উপদেশ দিয়ে আসন থেকে উঠে প্রস্থান করলেন।


পূরবী গাড়িতে শোভা পাচ্ছে বান্দরবানের স্বর্ণ মন্দির ছবি

বান্দরবান পরিবহনের পুলের বাস পূরবীতে শোভা পাচ্ছে বুদ্ধ ধাতু জাদি যা বান্দরবন স্বর্ণ মন্দির নামে সুপরিচিত, যা বাংলাদেশের বান্দরবন শহরের বালাঘাটা এলাকায় অবস্থিত।
শ্রদ্ধেয় উ পঞ্ঞা জোত থের, (গুরুভান্তে) ২০০০ সালে দক্ষিণ পূর্ব এশীয় ধাঁচে বার্মার স্থাপত্যবিদের তত্ত্বাবধানে বিহারটি নির্মান করে ৷ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল বুদ্ধ ধাতু জাদি ক্যাং। এই জাদিটি এখন বৌদ্ধ সমপ্রদায়ের তীর্থ স্থানই নয় দেশী বিদেশী পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষনীয় স্পটে পরিণত হয়েছে।

জাতকত্থ বন্ননা

ভারতের প্রাচীনতম গল্পসংগ্রহের নাম হল "জাতক" বা পালি ভাষায় "জাতকত্থ বন্ননা"। জাতক হল ভগবান শাক্যমুনি বুদ্ধের পূর্বজন্মের কাহিনির সঙ্কলন। অনেকের মতে 'জাতক' হল পৃথিবীর সমস্ত ছোট গল্পের উৎস। কথিত আছে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য সম্রাট অশোকের পুত্র মহেন্দ্র (পালি: মহেন্দ) যখন সিংহলে গিয়েছিলেন তখন তার সঙ্গে ছিল জাতকের কাহিনিগুলি। সেই মূল গ্রন্থ এখন বিলুপ্ত। সিংহলি ভাষায় যে জাতক প্রচলিত আছে, বর্তমানের "জাতকমালা" তারই অনুবাদ। কারও মতে পঞ্চম শতাব্দীতে সিংহলি ভাষা থেকে পালি ভাষায় এ রূপান্তর নাকি ঘটিয়েছিলেন বুদ্ধ ঘোষ। কিন্তু আধুনিক গবেষকগণ কেউই এই কথা সম্পূর্ণরূপে মেনে নিতে পারেননি। এই গল্পগুলির রচনাকাল সম্পর্কে সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় যা লিখেছিলেন তার কিছু অংশ এখানে তুলে দেওয়া হল -"বর্তমান জাতক কাহিনিমালা যাঁরই অনুদিত হোক এগুলি যে ভারতের প্রাচীনতম সঙ্কলন এবং এদের অনেকগুলিই যে খ্রিস্টজন্মের দ্বিতীয় বা তৃতীয় শতকের পূর্ববর্তী এ সম্বন্ধে সকলেই একমত হয়েছেন। এদের কিছু কিছু কাহিনি বুদ্ধের জন্মের পূর্ব থেকেই চলিত, কতগুলি বুদ্ধের সমকালীন, কতগুলি বা…

বন্দনা _সূত্র

বন্দনা পর্ব
সম্যক সম্বুন্ধকে নমস্কার
নমো তস্স ভগবতো অরহতো সম্মাসম্বুদ্ধস্স। (৩ বার) সেই ভগবান অর্হৎ সম্যক-সম্বুদ্ধকে নমস্কার।
ত্রিরত্ন বন্দনা (পালি)
বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সংঘং বন্দামি; অহং বন্দামি সব্বদা
বুদ্ধের নয়গুণ বন্দনা (পালি)
১। ইতিপিসো ভগবা অরহং, সম্মাসম্বুদ্ধো, বিজ্জাচরণ সম্পন্নো, সুগতো লোকবিদূ, অনুত্তরো, পুরিসদম্মসারথি, সত্থা দেব মনুস্সানং, বুদ্ধো ভগবাতি। ২। বুদ্ধ জীবিত পরিযন্তং সরণং গচ্ছামি। ৩। যে চ বুদ্ধা অতীতা চ, যে চ বুদ্ধা অনাগতা, পচ্ছুপন্না চ যে বুদ্ধা, অহং বন্দামি সব্বদা। ৪। নত্থি মে সরণং অঞ্ঞং বুদ্ধো মে সরণং বরং, এতেন সচ্চবজ্জেন হোতু মে জয মঙ্গলং। ৫। উত্তমঙ্গেন বন্দে’হং পাদপংসু বরুত্তমং, বুদ্ধে যো খলিতো দোসো বুদ্ধো খমতু তং মমং।
ধর্মের ছয়গুণ বন্দনা (পালি)
১।স্বাক্খতো ভগবতো ধম্মো, সন্দিটঠিকো, অকালিকো, এহিপস্সিকো, ওপানযিকো, পচ্চত্তং বেদিতব্বো বিঞ্ঞূহীতি। ২। ধম্মং জীবিত পরিয়ন্তং সরণং গচ্ছামি। ৩। যে চ ধম্মা অতীতা চ যে যে চ ধম্ম অনাগতা পচ্চুপন্না চ যে ধম্মা অহং বন্দামি সব্বদা। ৪। নত্থি মে সরণং অঞ্ঞং ধম্মো মে সরণং বরং, এতেন সচ্চবজ্জেন হোতু মে জয মঙ্গলং। ৫। উত্তমঙ্গে…

বন্দনা

ভোরে ঘুম থেকে উঠে মুখ হাত ধুঁয়ে প্রথমে বুদ্ধ আসনের পানি, ফুল, মোমবাতি, আগরবাতি, সোয়াং তোলে দিয়ে বন্দনাদি করবেন। সন্ধ্যা সময়ও অনুরুপভাবে বন্দনাদি করবেন। ত্রিরত্ন বন্দনা বুদ্ধং বন্দামি, ধম্মং বন্দামি, সঙ্ঘং বন্দামি, অহং সব্বদা। দুতিযম্পি, ততিযম্পি। সকল চৈত্য বন্দনা বন্দামি চেতিযং সব্বং, সব্বট্ঠানেসু পতিট্ঠিতং। সারীরিক ধাতু মহাবোধিং বুদ্ধরুপং সকলং সদা’তি। দন্ত ধাতু বন্দনা একা দাঠ্তিদসপুরে, নাগপুরে অহু । একা গা›ধার বিসযে, একাসি পূন সিহলে। চতস্সো তা মহাদাঠা, নিব্বাণ রসদীপিকা ,। পুজিতা নরদেবেহি, তা’পি বন্দামি ধাতুযো । শ্রীপাদ বন্দনা যং নম্মদায নদীযা পুলিনে চ তীরে। যং সচ্চবদ্ধ গিরিকে সুমনা চলগ্গে । যং তত্থ যোনকপুরে মুনিনো চ পাদং, তং পাদলাঞ্জন বরং সিরসা নমামি । বোধি বন্দনা যস্সমূলে নিসিন্নোব, সব্বারি বিজযং অক্ া। পত্তো সব্বঞঞূতং সত্থা বন্দেতং বোধিপাদপং । ইমেহে তে মহাবোধি লোকনাথেন পূজিতং । অহম্পিতে নমস্সামি বোধিরাজা নমত্থুতে। বুদ্ধের নয় গুণ বন্দনা ইতি’পি সো ভগবা অরহং, সম্মাসম্বুদ্ধো, বিজ্জাচরণং সম্পন্নো, সুগতো, লোকবিদু, অনুত্তরো, পরিসদম্ম সারথি, সত্থা দেব মনুস্সানং, বুদ্ধো ভগবা’তি। বুদ্ধং যাব মহাপর…