Skip to main content

Posts

Showing posts from July, 2019

সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এড. উর্বশী বডুয়া

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া পালং গ্রামের কৃতি সন্তান এডভোকেট উর্বশী বড়ুয়া গত ৭ জুলাই বাংলাদেশের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন । তার এই নিয়োগ প্রাপ্তিতে আনন্দিত তার এলাকার মানুষজন। তিনি এক সময়ের বিশিষ্ট জমিদার প্রয়াত বাবু রাধা কান্ত সিকদারের নাতনি ও ভালুকিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু কিরন বিকাশ বডুয়ার কনিষ্ঠ কন্যা। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দশম ব্যাচের ছাত্রী। তার অপরাপর ভাইবোনেরাও প্রচুর মেধাবী। তার বড় ভাই বান্দরবন সরকারী কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর, বড়বোন কাস্টমস অফিসার, এক ভাই বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক ও ছোট ভাই পররাষ্ট্র মন্ত্রানালয়ের সহকারী সচিব বলে জানা গেছে। তার মা মকুল রাণী বডুয়া ভালুকিয়া পালং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন।

বিশ্বাস ভাজন জাতক

পুরাকালে বােধিসত্ত্ব একবার এক মহা বিত্তশালী শ্রেষ্ঠী ছিলেন। মাঠে যখন শস্য জন্মাত তখন তার গােপালক সব গরু নিয়ে বনে চলে গিয়ে সেইখানে ঘর বেঁধে থেকে গরু চরাত। মাঝে মাঝে দুধ, ঘি প্রভৃতি এনে বােধিসত্ত্বকে দিয়ে যেত। সেই বনের মাঝে গােপপল্লীর অল্প কিছুদূরে এক সিংহ বাস করত। গাভীগুলি এই সিংহের ভয়ে ভীত হয়ে উঠল। তাদের দুধ কমে যেতে লাগল। গােপালক মাঝে মাঝে দুগ্ধজাত ঘি বােধিসত্ত্বকে দিয়ে যেত। একদিন গােপালক বােধিসত্ত্বকে ঘি দিতে এলে বােধিসত্ত্ব তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, বৎস, এবার ঘি এত কম কেন? গােপালক বলল, এক সিংহের ভয়ে গাভীরা ভীত হয়ে পড়ায় দুধ কম দিচ্ছে। তার ফলে ঘিও কমে গেছে। বােধিসত্ত্ব তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এই সিংহ অন্য কোন প্রাণীর প্রতি অনুরক্ত কিনা জান কি? গােপালক বলল, জানি মহারাজ, এই সিংহ এক মৃগীর প্রতি অনুরক্ত। বােধিসত্ত্ব বললেন, এই মৃগীকে কোন উপায়ে ধর। তারপর তার গায়ে ভাল করে বিষ মাখাও। তাকে বেঁধে রাখবে যাতে তার গায়ের বিষ যেন ভালভাবে শুকিয়ে যায়। তারপর তাকে ছেড়ে দেবে। সেই মৃগীকে তখন দেখতে পেলেই সিংহ অনুরাগবশতঃ তার গা লেহন করবে অর্থাৎ চাটবে। তাহলেই সিংহ মারা যাবে। তার চামড়া ও নখ আমাকে দ…

বাংলাদেশের পুষ্পা ওয়াইতা বড়ুয়া নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইয়ুথ এমপি

নিউজিল্যান্ডের বড়ুয়া বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রথম যুব সাংসদ পুষ্পা ওয়াইতা বড়ুয়া। বাংলাদেশী বড়ুয়াদের মধ্যে তিনি প্রথম নারী এম পি।
তাছাড়া, তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ওয়ার্ল্ড বড়ুয়া অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধিত্ব করেন।

উল্লেখ্য যে, যুব সংসদ ২০১৯ সালের অনুষ্ঠান ১লা মার্চ থেকে ৩১শে আগস্ট ২০১৯ এর মধ্যে সংঘটিত হয়। ১২০ যুব সংসদ সদস্য এবং ২০ জন যুব প্রেস গ্যালারি সদস্য ওয়েলিংটনের ১৬ ও ১৭ জুলাই ২০১৯-এ দুই দিনের যুব সংসদ সম্মেলনে যোগ দেন।

কুয়েত বৌদ্ধ সমিতির উদ্যাগে শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা উদযাপন

বাংলাদেশী বৌদ্ধ সমিতি কুয়েত এর উদ্যােগে মহাসমারোহে প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা উদযাপন করা হয় ১৯ জুলাই শুক্রবার সমিতির হিসাব নিরক্ষক সম্পাদক বাবু বাবুল বড়ুয়া(১) এর সালোয়াস্হ বাসায় অনুষ্ঠিত হয়।
উপদেষ্টা উত্তম বড়ুয়ার সঞ্চলনায়  বুদ্ধ পূজা, সীবলী পূজা ও আটাশ বুদ্ধের পূজা উৎর্সগ সহ পঞ্চশীল প্রার্থনা পরিচালনা করেন, উপদেষ্টা সন্তোষ বড়ুয়া।
ধর্মীয় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপদেষ্টা দুলাল কান্তি বড়ুয়া। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুমন রাজ বড়ুয়া, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নবাগত সদস্য সোহেল বড়ুয়া, অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন -টিপু বড়ুয়া, বাবুল বড়ুয়া,(১)বটন বড়ুয়া, সংঘতরু বড়ুয়া, লিটন বড়ুয়া, চন্দন বড়ুয়া(১)মঞ্জন বড়ুয়া, রোমেল মুৎসুদ্দী, উত্তম বড়ুয়া(২), দোলন বড়ুয়া, প্রমুখ।
শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা অনুষ্ঠানকে সার্থক করার জন্য  সর্বাঙ্গীক সহযোগিতা করেন, দেবপূর্ণ বড়ুয়া, বিনয় প্রসাদ বড়ুয়া,সুভাষ বড়ুয়া(১), মোঃ রিপন,রকি বড়ুয়া, মোঃজাহিদ,  সুভাষ বড়ুয়া(২) টিটু বড়ুয়া, রিটন বড়ুয়া,জয় মুৎসুদ্দী।

সভায় বক্তরা সাম্প্রদায়িকতা সম্প্রীতির সমুজ্জ্বলে "অহিংসা পরম ধর্ম" মন্ত্রে বাংলাদেশের সৃমদ্ধি কাম…

দমদমা-নবাবপুর ধর্মকীর্তি বৌদ্ধ বিহারে আষাঢ়ী পুর্ণিমা উৎযাপিত

মিরসরাই এর দমদমা-নবাবপুর ধর্মকীর্তি বৌদ্ধ বিহারে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দ-উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে আষাঢ়ী পূর্নিমা পালিত হয়েছে। 
সকালবেলা বুদ্ধপূজা, পঞ্চশীল ও অষ্টশীল প্রদান, জগৎতের সকল প্রাণীর সুখ কামনায় পূন্যদান, সদ্ধর্ম দেশনাসহ আষাঢ়ী পূর্ণিমা বিষয়ক আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আষাঢ়ী পূর্ণিমার ১ম পর্বের আয়োজন শেষ হয়।

শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা

আজ শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা। বুদ্ধ পূর্ণিমার মতো এ পূর্ণিমার আবেদন বৌদ্ধ বিশ্বে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং অতি পবিত্রময়। থেরবাদী বৌদ্ধ দেশগুলোয় আজ থেকে ত্রৈমাসিক বর্ষাবাস ব্রত শুরু।

বিহারের ভিক্ষু-শ্রামণ, উপাসক-উপাসিকা ও গৃহীরা আজ থেকে তিন মাসের জন্য ধ্যান-সমাধি ও প্রজ্ঞা সাধনা করবেন। অতি যত্নের সঙ্গে ধর্মবিনয় অনুশীলন করবেন, শিক্ষা দেবেন এবং শাস্ত্র আলোচনা করবেন।

এ ছাড়া কায়িক, বাচনিক, মানসিক ত্রিবিধ উপায়ে সংযমতা রক্ষা করবেন এবং কায়িক শুদ্ধিতা, বাচনিক শুদ্ধিতা ও মানসিক শুদ্ধিতা বজায় রেখে পরমার্থ সাধনায় নিবেদিত হবেন। প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য বৃক্ষরোপণও করা হবে।

এ পূর্ণিমার আরও বিশেষত্ব হল, আষাঢ়ী পূর্ণিমার এই শুভ তিথিতেই রাজকুমার সিদ্ধার্থ রানী মহামায়ার গর্ভে প্রতিসন্ধি গ্রহণ করেন। বৌদ্ধ পরিভাষায় একে বলা হয় মহাভিনিষ্ক্রমন।

বুদ্ধত্ব লাভের পর এ দিবসেই তিনি তার অধীত নবলব্ধধর্ম ‘ধর্মচক্র প্রবর্তনসূত্র’ রূপে পঞ্চবর্গীয় শিষ্যের কাছে প্রথম প্রচার করেন সারনাথের ঋষিপতন মৃগদাবে (বর্তমান উত্তর প্রদেশের বানারস সন্নিকটস্থ)।

সেদিন তার প্রচারিত ধর্মের মূল আবেদন ছিল- জগৎ দুঃখময়, জীবন অনিত্য, জগতের সকল সংস্কার অন…

১৯৮৩ সালে অতীশ দীপঙ্করের জন্মবর্ষে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যখন বাংলাদেশের সামরিক শাসক তখন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সঙ্ঘের উদ্যোগে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হয় অতীশ দীপঙ্করের সহস্রতম জন্ম বর্ষ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সেমিনার। ২৬ ফেব্রুয়ারি এর উদ্বোধন করেন এরশাদ। তাঁর উদ্বোধনী ভাষণ বেশ তথ্যসমৃদ্ধ ছিল। সব প্রতিনিধিদের তিনি বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে তাঁর সাথে অনুষ্ঠানের মধ্যমনি শ্রদ্ধাভাজন সঙ্ঘ নায়ক বিশুদ্ধানন্দ মহাথের, অধ্যাপক দীপক কুমার বড়ুয়া, হেমেন্দু বিকাশ চৌধুরী, ড. প্রণব কুমার বড়ুয়া, ড. বিকিরণ বড়ুয়া প্রমুখ।

ছবি: সংগ্রহীত

কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসে অটল বড়ুয়া ও সুজয় মং নিহত

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় পাহাড় ধসে চলন্ত অটোরিকশা চাপা পড়ে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। কাপ্তাই থানার পরিদর্শক নূরুল আলম জানান, উপজেলার রায়খালি ইউনিয়নের কারিগর পাড়ায় শনিবার বেলা ১১টার দিকে তাদের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন চট্টগ্রামের রাউজান বড়পাড়া গ্রামের অটল বড়ুয়া (৫০) ও কারিগর পাড়ার সুজয় মং মারমা (৪০)।
পরিদর্শক নূরুল জানাান, কাপ্তাই এলাকায় বেশ বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির মধ্যে ওই এলাকায় রায়খালি-বান্দরবান সড়কের পাশে একটি পাহাড়ের আংশিক ধসে পড়ে। এর নিচে চলন্ত অটোরিকশা চাপা পড়ে দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

পূজ্য বনভন্তের সংক্ষিপ্ত জীবনপঞ্জি - প্রথম পর্ব

১৯২০ : জন্ম ১৯২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি। শৈলশহর রাঙামাটির ৬ মাইল দক্ষিণে ১১৫ নং মগবান মৌজার। মােরঘােনা নামক গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মধ্যবিত্ত চাকমা বৌদ্ধ পরিবারে। তাঁর পিতার নাম শ্রীহারুমােহন চাকমা, মাতার নাম শ্রীমতি বীরপুদি চাকমা। জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয় রথীন্দ্র লাল চাকমা। পিতামাতার ৬ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন বয়ােজ্যেষ্ঠ। তাঁর (রথীন্দ্র) শিক্ষাজীবন সম্পর্কে যতদূর জানা যায়—তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ আমলে মিডল ইংলিশ (ME) স্কুলে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে তিনি জীবিকার তাগিদে ব্যবসায় আত্মনিয়ােগ করেন।
১৯৪৩ : রথীন্দ্র যখন ২৩ বছরের যুবক তখন হঠাৎ তাঁর পিতা হারুমােহন চাকমার অকালমৃত্যু ঘটে। ফলে জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে পরিবারের ভরণপােষণের দায়িত্বভার স্বভাবিকভাবেই তাঁর ওপর এসে পড়ে।
১৯৪৯ : ১৯৪৯ সালে পটিয়ার নাইখাইন গ্রামের অধিবাসী বাবু গজেন্দ বড়য়ার ঐকান্তিক সহযােগিতায় ২৯ বছর বয়সে ভরা যৌবনে । ফাল্গুণী পূর্ণিমা তিথিতে তিনি চট্টগ্রামস্থ নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহারের। তৎকালীন অধ্যক্ষ শ্রীমৎ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান মহাস্থবির (বিএ) মহােদয়ের নিকট প…

পটিয়া সড়ক দূর্ঘটনায় সংঘদাশ বড়ুয়া ও উত্তম বড়ুয়া নিহত

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোর পাঁচটায় উপজেলার জুলুরদিঘির পাড় এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সংঘদাশ বড়ুয়া (৭০) ও উত্তম বড়ুয়া (৪০)। সংঘদাশ বড়ুয়া সিএনজি অটোরিকশার যাত্রী ও উত্তম বড়ুয়া অটোরিকশাটির চালক ছিলেন। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার শীলঘাটা এলাকায়। জানা যায়, চট্টগ্রামমুখী সিএনজি অটোরিকশাচালিত অটোরিকশাটিকে কক্সবাজারমুখী ‘শ্যামলী’ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি সামনে থেকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় ৫ শ মিটার দূরে নিয়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাঁরা সিএনজির ভেতর থেকে যাত্রী সংঘদাশ বড়ুয়াকে মৃত অবস্থায় ও চালক উত্তম বড়ুয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় অবস্থায় উদ্ধার করেন। উত্তম বড়ুয়াকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানেই তিনি মারা যান। চালক উত্তম বড়ুয়া গ্যাস নিতে পটিয়া আসছিলেন এবং সংঘদাশ বড়ুয়া পটিয়ায় তাঁর নিজের বাসায় আসছিলেন। সুনীল বড়ুয়া বলেন, সংঘদাশ বড়ুয়া তাঁর চাচা এবং উত্তম বড়ুয়া তাঁর ভাইপো।

কৃষ্ণ জাতক

পুরাকালে বোধিসত্ত্ব এক গোজন্ম লাভ করছিলেন। তাঁর বয়স তখন খুব অল্প ছিল। তাঁর মালিক তাকে নিয়ে এক বৃদ্ধার বাড়িতে বাস করত। পরে ঘরের ভাড়া দিতে না পেরে বোধিসত্ত্বকে বৃদ্ধার কাছে দান করে যায়। বৃদ্ধা তাঁকে নিজের সন্তানের মোট স্নেহ করে পালন করত। লোকে সেই বৃদ্ধাকে ঠাকুমা বলে ডাকত। বোধিসত্ত্বের গায়ের রঙ খুব কাল ছিল। তাই তাঁর নাম ছিল কৃষ্ণ। তিনি অন্যান্য গরুদের সাথে নদীর ধারে মাঠে চরতেন। আবার গ্রামের ছেলেরা তাঁর সঙ্গে খেলা করে বেড়াত। তাদের আবার কেউ কেউ শিং ধরে টানত। কেউ কেউ আবার তাঁর পিঠের উপর চড়ত।
বোধিসত্ত্ব একদিন ভাবতে লাগলেন, এই বৃদ্ধার আমার মা। তিনি বড় গরীব। তিনি অতি কষ্টে আমাকে পালন করেন। সুতরাং তার জন্য আমার কিছু অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করা উচিত। এই ভেবে সেদিন বোধিসত্ত্ব নদী তীরে মাঠে চড়তে গেলেন। সেদিন এক বণিক পাঁচশো বোজাই গরুর গাড়ি নিয়ে সেই পথে কোন দূর দেশে বাণিজ্য করতে যাচ্ছিল। তখন নদীতে জল ছিল। কিন্তু নদীগুলোর পথ এত উচু-নীচু ছিল যে পাঁচশো গাড়ির এক হাজার গরু মোটেই গারিগুলো তান্তে পারছিল না।
নদীগুলোর ধারে নিকটেই এক মাঠে বোধিসত্ত্ব অন্যান্য গরুদের সাথে চরছিলেন। বণিক সেই গরুর পালের …