Skip to main content

পাথরঘাটায় বিস্ফোরণে নিহত ৭ ৷ এর মধ্যে একজন এ্যানি বডুয়া

 চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় একটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ জন মারা গেছেন। দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ২০ জন। রোববার সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটা ব্রিক ফিল্ড রোডের কুঞ্জমনি ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, দুইজন নারী ও এক শিশু রয়েছে। নিহতদের মধ্যে এ্যানি বডুয়া নামে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তিনি পটিয়ার এক স্কুলের শিক্ষক বলে পরিচয় পাওয়া গেছে ৷ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডের কুঞ্জমনি ভবনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভবনের একাংশ ভেঙে গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস চারটি ইউনিট কাজ করছে। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।   

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়া হলো না অ্যানি বডুয়ার

পিএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে বাসা থেকে বের হন তিনি। পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডে সহকর্মীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ দেয়ালের একটি অংশ এসে পড়ে তার ওপর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পটিয়ার সরকারি মেহেরআটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা অ্যানি বড়ুয়ার (৪০)। রোববার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৯টায় কোতোয়ালী থানাধীন পাথরঘাটায় গ্যাসের লাইনে বিস্ফোরণে দেয়াল ধসে নিহতদের একজন তিনি। স্বামী পলাশ বড়ুয়া ও দুই ছেলে অভিষেক-অভিজিৎকে নিয়ে পাথরঘাটায় ভাড়া বাসায় থাকতেন অ্যানি বড়ুয়া। পলাশ বড়ুয়া পটিয়ার শিকলবাহায় পিডিবির প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। বড় ছেলে অভিষেক এ বছর জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। ছোট ছেলে পড়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে। পলাশ বড়ুয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আজকের পিএসসি পরীক্ষার প্রথম ডিউটিতে তাকে শাড়িও ঠিক করে দিয়েছি। পছন্দের শাড়ি পড়ে অ্যানি ডিউটিতে যাচ্ছিল। ও আগে বের হয়, আমি পরে বের হচ্ছিলাম। এরমধ্যে শুনি এ দুর্ঘটনা। আমাদের সাজানো গোছানো সংসার এক নিমিষেই শেষ। আমি ছেলেদের কি জবাব দেবো? অ্যানির শ্বশুর বাড়ি পটিয়ায়, বাবার বাড়ি কক্সবাজারের রামুতে। তার ভাই অনিক বড়ুয়া বলেন, আমার দুই ভাগ্নের কি হবে? তাদের কান্না থামছে না। শ…

সীতাকুন্ডের প্রথম নারী পুলিশ সুপার অনিন্দিতা বডুয়া

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ডের কৃতি সন্তান প্রয়াত সরোজ কান্তি ও প্রয়াতা প্রতিমা বড়ুয়ার কণ্যা অনিন্দিতা বড়ুয়া সীতাকুণ্ড উপজেলার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসাবে কর্মক্ষত্রে দারুণ সফলতা পেয়েছেন। তার পিতা ব্যাংকার ও মাতা স্বনামধন্য অপর্ণা চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। 
বুয়েট হতে ইঞ্জিনিয়ারিং শেষে ২৪তম বিসিএসে ০২/০৭/২০০৫ সালে এএসপি হিসাবে যোগদান করেছেন।ব্যাটালিয়ন কোয়ার্টার মাষ্টার ৯ম এপিবিএন ২০১১'সালে ছিলেন। ২০১৩ সালে এডিসি বন্দর চট্টগ্রাম,২০১৪ সাল হতে এডিসি সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার এ অতি সুনামের সহিত কর্মরত রয়েছেন।      
 চাকরিজীবনে দেশে সফলতার পাশাপাশি জাতিসংঘ মিশনে যান ২০১০ সালে, ইতালিতে ট্রেনিং এ যান ২০১৮ সালে। উল্লেখ্য এসপি অনিন্দিতা বড়ুয়া সীতাকুণ্ড পৌরসভা এলাকার ২ নং ওয়ার্ডের সন্তান,ব্যক্তি জীবনে স্বামী রাজেশ তালুকদার সাথে রয়েছে একমাত্র পুত্র সন্তান রিসহাব বড়ুয়া তালুকদার।     
তারা তিন বোন বিসিএস ক্যাডার। সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ও দারুণ জনপ্রিয় এই নারী এসপি।