Skip to main content

৩০ ও ৩১ জানুুয়ারি সত্যপাল স্থবিরের মহাস্থবির বরণ

ঐতিহ্যবাহী গহিরা জেতবনারাম বিহারের  অধ্যক্ষ  বিদর্শনাচার্য ভদন্ত সত্যপাল স্থবির’র মহাস্থবির বরণোৎসব অনুষ্ঠান আগামী ৩০ ও ৩১শে জানুয়ারি দুইদিন ব্যাপি মহাসমারোহে রাউজানের  গহিরা জেতবনারাম বিহার সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
৩০ জানুয়ারি ২০২০ইং বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে বিকেল ২ টায়  মংগল শোভা যাত্রা । সন্ধ্যায় মংগল প্রদীপ প্রজ্জলন, ফানুস উত্তোলন, আতসবাজি প্রদর্শন। রাত ৭ টায়   পালটা কীর্তন / ৩১  জানুয়ারি ২০২০ইং শুক্রবার শেষ দিনে সকালে অষ্টপরিস্কারসহ সংঘদানে আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন  সংঘরাজ ভদন্ত সত্যপাল মহাস্থবির,  ভারতীয় সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা।  সভাপতিত্ব করবেন ভদন্ত প্রিয়দর্শী মহাস্থবির, অধ্যক্ষ পশ্চিম আধারমানিক নিগ্রোধারাম বিহার, রাউজান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ,  ভদন্ত বুদ্ধ রক্ষিত মহাস্থবির, সভাপতি বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা।
বিকেল বেলা মহাস্থবির বরণ  ও সদ্ধর্মসভায় আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মহামান্য উপ-সংঘরাজ ,শাসন শোভন , ড. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো।

এতে সভাপতিত্ব করবেন  উপসংঘরাজ শ্রুতিধর ড. শীলানন্দ মহাথের।  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রামের রাউজানের সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী।
উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পালি বিভাগের সভাপতি ড. জ্ঞানরত্ন মহাথেরো। প্রধান ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা মহাসচিব ভদন্ত এস. লোকজিৎ থেরো মহোদয়।
উক্ত পুণ্যময় অনুষ্ঠানের আপনাদের উপস্থিত একান্ত ভাবে কামনা করছেন মহাস্থবির উদযাপন পরিষদ।

Comments

Popular posts from this blog

চান্দগাঁও সার্বজনীন শাক্যমুনি বিহারে ৬ দিন ব্যাপী “পট্ঠান” পাঠ ও গণপ্রব্রজ্যা

ঐতিহ্যবাহী চান্দগাঁও সার্বজনীন শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে ২২শে ফেব্রুয়ারী রোজ শনিবার  থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার ২০২০ ইংরেজী পর্যন্ত দিবা-রাত্রি ৬ (ছয়) দিনব্যাপী  “তথাগত বুদ্ধ” ভাষিত অভিধর্ম পিটকের “পট্ঠান” পাঠ ও গনপ্রব্রজ্যা অনুষ্ঠিত হবে।
২২শে ফেব্রুয়ারী শনিবার গনপ্রব্রজ্যা, ভৈষজ্য সংঘদান ও পট্ঠানপাঠ আরম্ভ হয়ে ২৭শে ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার অষ্ঠপরুস্কারসহ সংঘদানের মাধ্যমে পট্ঠন পাঠ সমাপ্ত হবে।
পট্ঠান পাঠ পরিচালনা করবেন বহু ত্রিপিটক গ্রন্থের অনুবাদক, ধ্যানাচার্য ও ধুতাঙ্গধারী, উত্তর জলদী শ্মশানভূমি প্রজ্ঞাদর্শন মেডিটেশন সেন্টার এর মহাপরিচালক ভদন্ত জ্ঞানেন্দ্রিয় স্থবির।

সহ- উপসংঘনায়ক আনন্দ মিত্র মহাথের "চন্দ্রজ্যোতি শান্তি স্বর্ণপদক" মনোনয়ন লাভ

উজ্বল কান্তি বড়ুয়াঃ বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার ২২তম সংঘনায়ক, ঐতিহ্যবাহী খৈয়াখালী রত্নাঙ্কুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা, ৬ষ্ঠ সংগীতিকারক মহামান্য সংঘনায়ক চন্দ্রজ্যোতি মহাথের মহোদয়ের ৫৪তম প্রয়াণ বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে আজ খৈয়াখালী রত্নাঙ্কুর বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সভায় বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার সহ-উপসংঘনায়ক, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্মীলনীর আজীবন সভাপতি, পূর্বগুজরা সার্বজনীন মৈত্রী বিহারের নবরূপাকার বিহারাধ্যাক্ষ সহ- উপসংঘনায়ক আনন্দমিত্র মহাথের মহোদয়কে সর্বসম্মতিক্রমে ২০২০ সালের জন্য "চন্দ্রজ্যোতি শান্তি স্বর্ণপদক" মনোনীত করেন। 
উল্লেখ্য আগামী ১ মে ২০২০ খ্রি., শুক্রবার সংঘনায়ক চন্দ্রজ্যোতি মহাথের'র ৫৪তম প্রয়াণ দিবসে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর পরিবেশে নানা অনুষ্ঠান মালার মধ্য দিয়ে সহ-উপসংঘনায়ক আনন্দ মিত্র মহাথের'কে স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হবে।

তুলিপ এক্কা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত

রংপুর হিরোয়োশি জে এস ফুকুই বৌদ্ধ বিহার এর কেন্দ্র শিক্ষক তুলিপ এক্কা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অধীনে উত্তরঙ্গের ৫টি প্যাগোডা ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প (২য় পর্যায়) মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মর্যাদা অর্জন করছেন। 
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার  প্যাগোডা ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প(২য়) পর্যায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর আওতাধীন, উত্তরবঙ্গের (রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট ও নওগাঁ) জেলা তে মোট ০৫ টি শিক্ষা কেন্দ্র চালু হয় গত বছর। 
গত ২০শে জানুয়ারি শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এর নাম ঘোষণা করা হয়। তুলিপ এক্কা রংপুর হিরোয়োশি জে এস ফুকুই বৌদ্ধ বিহার এর কেন্দ্র শিক্ষক এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নিউজ পোর্টাল বুড্ডিস্ট নিউজের রংপুর প্রতিনিধি।