Skip to main content

শিক্ষায় একুশে পদক পাচ্ছেন প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া

শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় এবারের একুশে পদকে
ভূষিত হচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা
বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন
বিশ্ব বৌদ্ধ নেতা, বহু সংগঠনের জনক, বিশিষ্ট
শিক্ষাবিদ, বৌদ্ধ গবেষক, বিশ্ব বৌদ্ধ নেতা, বহু
সংগঠনের জনক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বিশ্ব বৌদ্ধ
সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ (যুব) এর প্রাক্তন উপদেষ্টা, বৌদ্ধ
সমাজ চিন্তাবিদ, প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া।
গত বছর এ পুরস্কার পেয়েছিলেন ডক্টর প্রণব কুমার
বড়ুয়া।


এবারের একুশের পদক পাচ্ছেন যারা

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবছর ২১
গুণীজনকে একুশে পদক-২০২০ প্রদানের সিদ্ধান্ত
নিয়েছে সরকার। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি)
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে একুশে
পদকপ্রাপ্তদের নাম উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা
হয়।

ভাষা আন্দোলনে মরণােত্তর মরহুম আমিনুল ইসলাম
বাদশা।

শিল্পকলায় (সংগীত) বেগম ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর
রায় ও মিতা হক।

শিল্পকলায় (সংগীত) বেগম ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর
রায় ও মিতা হক।
শিল্পকলায় (নৃত্য) মাে. গােলাম মােস্তফা খান।
শিল্পকলায় (অভিনয়) এম এম মহসীন।
শিল্পকলায় (চারুকলা) অধ্যাপক শিল্পী ড. ফরিদা
জামান।
মুক্তিযুদ্ধে (মরণােত্তর) মরহুম হাজি আক্তার সরদার,
মরহুম আব্দুল জব্বার, মরহুম ডা. আ আ ম মেসবাহুল
হক (বাচ্চু ডাক্তার)।
সাংবাদিকতায় জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ
জাফর)।
গবেষণায় ড. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ কারী আল্লামা
সৈয়দ মােহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ।
শিক্ষায় অধ্যাপক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া।
অর্থনীতিতে অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।
সমাজসেবায় সুফি মােহাম্মদ মিজানুর রহমান।
ভাষা ও সাহিত্যে ড. নুরুন নবী, মরহুম সিকদার
আমিনুল হক (মরণােত্তর) ও বেগম নাজমুন নেসা
পিয়ারি।

চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার।

Comments

Popular posts from this blog

চান্দগাঁও সার্বজনীন শাক্যমুনি বিহারে ৬ দিন ব্যাপী “পট্ঠান” পাঠ ও গণপ্রব্রজ্যা

ঐতিহ্যবাহী চান্দগাঁও সার্বজনীন শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারে ২২শে ফেব্রুয়ারী রোজ শনিবার  থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার ২০২০ ইংরেজী পর্যন্ত দিবা-রাত্রি ৬ (ছয়) দিনব্যাপী  “তথাগত বুদ্ধ” ভাষিত অভিধর্ম পিটকের “পট্ঠান” পাঠ ও গনপ্রব্রজ্যা অনুষ্ঠিত হবে।
২২শে ফেব্রুয়ারী শনিবার গনপ্রব্রজ্যা, ভৈষজ্য সংঘদান ও পট্ঠানপাঠ আরম্ভ হয়ে ২৭শে ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার অষ্ঠপরুস্কারসহ সংঘদানের মাধ্যমে পট্ঠন পাঠ সমাপ্ত হবে।
পট্ঠান পাঠ পরিচালনা করবেন বহু ত্রিপিটক গ্রন্থের অনুবাদক, ধ্যানাচার্য ও ধুতাঙ্গধারী, উত্তর জলদী শ্মশানভূমি প্রজ্ঞাদর্শন মেডিটেশন সেন্টার এর মহাপরিচালক ভদন্ত জ্ঞানেন্দ্রিয় স্থবির।

সহ- উপসংঘনায়ক আনন্দ মিত্র মহাথের "চন্দ্রজ্যোতি শান্তি স্বর্ণপদক" মনোনয়ন লাভ

উজ্বল কান্তি বড়ুয়াঃ বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার ২২তম সংঘনায়ক, ঐতিহ্যবাহী খৈয়াখালী রত্নাঙ্কুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা, ৬ষ্ঠ সংগীতিকারক মহামান্য সংঘনায়ক চন্দ্রজ্যোতি মহাথের মহোদয়ের ৫৪তম প্রয়াণ বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে আজ খৈয়াখালী রত্নাঙ্কুর বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সভায় বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার সহ-উপসংঘনায়ক, বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্মীলনীর আজীবন সভাপতি, পূর্বগুজরা সার্বজনীন মৈত্রী বিহারের নবরূপাকার বিহারাধ্যাক্ষ সহ- উপসংঘনায়ক আনন্দমিত্র মহাথের মহোদয়কে সর্বসম্মতিক্রমে ২০২০ সালের জন্য "চন্দ্রজ্যোতি শান্তি স্বর্ণপদক" মনোনীত করেন। 
উল্লেখ্য আগামী ১ মে ২০২০ খ্রি., শুক্রবার সংঘনায়ক চন্দ্রজ্যোতি মহাথের'র ৫৪তম প্রয়াণ দিবসে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর পরিবেশে নানা অনুষ্ঠান মালার মধ্য দিয়ে সহ-উপসংঘনায়ক আনন্দ মিত্র মহাথের'কে স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হবে।

তুলিপ এক্কা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত

রংপুর হিরোয়োশি জে এস ফুকুই বৌদ্ধ বিহার এর কেন্দ্র শিক্ষক তুলিপ এক্কা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অধীনে উত্তরঙ্গের ৫টি প্যাগোডা ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প (২য় পর্যায়) মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মর্যাদা অর্জন করছেন। 
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার  প্যাগোডা ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্প(২য়) পর্যায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর আওতাধীন, উত্তরবঙ্গের (রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট ও নওগাঁ) জেলা তে মোট ০৫ টি শিক্ষা কেন্দ্র চালু হয় গত বছর। 
গত ২০শে জানুয়ারি শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এর নাম ঘোষণা করা হয়। তুলিপ এক্কা রংপুর হিরোয়োশি জে এস ফুকুই বৌদ্ধ বিহার এর কেন্দ্র শিক্ষক এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নিউজ পোর্টাল বুড্ডিস্ট নিউজের রংপুর প্রতিনিধি।