শ্রীলংকার বৌদ্ধ তীর্থস্থান মিহিন্তালে

0
202
শ্রীলংকান তীর্থ ভ্রমণ

মিহিন্তালে বিখ্যাত অনুরাধাপুর শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।  পবিত্র অরণ্য পর্বত মিসাকা পাববথা যেখানে রাজা দেবানাম্পিয়া তিসা আরহাট মহিন্দা থেরার সাথে দেখা করেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গীরা মিহিন্তালে অবস্থান করছিলেন, এর আগে ভগবান গৌতম বুদ্ধ তাঁর তৃতীয় সফরে এই স্থানটি পরিদর্শন করেছিলেন।  শ্রীলঙ্কায় ভগবান বুদ্ধ যে ষোলটি স্থানের (সলোস্মাস্থান) দর্শন করেছিলেন তার মধ্যে একটি হওয়ায় এটি শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধদের দ্বারা একটি অন্যতম পবিত্র পবিত্র স্থান হিসাবে বিবেচিত। 
মিহিন্তালে প্রথমে ঢুকতে আপনাকে গুনতে হবে, ১০০০ শ্রীলংকান রুপি। এরপর ১৮৪০ টি সিড়ি অতিক্রান্ত করে আপনি পৌঁছাবেন সর্বোচ্চ স্থানে।
মিহিন্তালে কয়েকটি ধাপে বিভক্ত, সিড়ি পেরিয়ে প্রথমে চোখে পরবে সেলা চৈত্য। 
সেলা চৈত্যে ১৬টি পূজা উপাসনালয় বা সলোসমাস্থানের মধ্যে একটি এটি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে শাসন করেছিলেন রাজা লজ্জিতিশা নির্মাণ করেছিলেন।  স্তূপের গোড়ার ব্যাস ৩৭ ফুট।
শুভ্রতায় সেলা চৈত্য
তার বাম দিকে রয়েছে আরেক পাহাড়ের চূড়ায়  বুদ্ধ মূর্তি। ধবধবে সাদা বুদ্ধ মূর্তিটি দূর থেকে দেখতে মনে হবে, সাদা মেঘের ভাজে বসে বুদ্ধ আপনাকে আশির্বাদ দিচ্ছেন। 
চৈত্যের শেষ দিকে রয়েছে ধাতু মন্দির।আলোকোজ্জ্বল কারুকাজে সজ্জিত মন্দিরে তোখনি চলছিল মন্ত্রধন্নী। 
সুউচ্চ পাহাড় পেরিয়ে আবার উঠতে থাকা, পাহাড়ে উঠে আপনাকে স্বাগতম জানাবে নীর্মল বাতাস। 
পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, মাহিন্দা খ্রিস্টপূর্ব ২৪৭ অব্দ সালে রাজা দেওয়ানমপিয়তিয়াসার সাথে সাক্ষাত করেছিলেন এবং বৌদ্ধধর্মকে দ্বীপের রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।  মহিন্দা ছিলেন মহান মৌর্য সম্রাট অশোকের পুত্র, যিনি তাঁর পিতা শ্রীলঙ্কায় বুদ্ধের শিক্ষার কথা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রেরণ করেছিলেন।
লেখক : শুভ বড়ুয়া ( প্রকাশক – বুড্ডিস্ট নিউজ24.কম )

www.buddhistnews24.com

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here