২৫দিন পর রামুর বৌদ্ধ মহাশ্মশানে লাকিং মে চাকমার লাশ

0
238

আইনি জটিলতায় দুই পক্ষের টানাটানিতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমঘরে টানা ২৫ দিন ধরে পড়েছিল টেকনাফের চাকমাপল্লির মেয়ে লাকিং মে চাকমার (১৫) লাশ।

অবশেষে মেয়ের লাশ পেলেন স্বজনেরা। সোমবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের রামুর কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ মহাশ্মশানে সমাহিত করা হয় লাকিং মে চাকমার লাশ।

এ সময় মা–বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার বেলা তিনটার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে লাকিং মে চাকমার লাশ হস্তান্তর করা হয়। লাশ গ্রহণ করেন লাকিং মের চাচাতো ভাই ক্যচিং মং চাকমা।

লাশ হস্তান্তর করেন র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুন চৌধুরী।

অর্জুন চৌধুরী ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের নির্দেশে হিমঘরে পড়ে থাকা মেয়ের (লাকিং মে) লাশ মা–বাবাসহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ এলাকায় মেয়ের (লাকিং মে) লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা কোচিং চাকমা।

৪ ডিসেম্বর বিকেলে
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ এলাকায় মেয়ের (লাকিং মে) লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা কোচিং চাকমা
দুই পক্ষের টানাটানিতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমঘরে টানা ২৫ দিন ধরে পড়েছিল টেকনাফের চাকমাপল্লির মেয়ে লাকিং মে চাকমার (১৫) লাশ। আইনি জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে মেয়ের লাশ পেলেন স্বজনেরা।

সোমবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের রামুর কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ মহাশ্মশানে সমাহিত করা হয় লাকিং মে চাকমার লাশ।

এ সময় মা–বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার বেলা তিনটার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে লাকিং মে চাকমার লাশ হস্তান্তর করা হয়। লাশ গ্রহণ করেন লাকিং মের চাচাতো ভাই ক্যচিং মং চাকমা।

লাশ হস্তান্তর করেন র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুন চৌধুরী। অর্জুন চৌধুরী ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের নির্দেশে হিমঘরে পড়ে থাকা মেয়ের (লাকিং মে) লাশ মা–বাবাসহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

লাকিং মে চাকমার বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সমুদ্র উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নে।

তাঁর বাবার নাম লাল অং চাকমা। লাকিং মে স্থানীয় শাপলাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত।

আটটি সংগঠনের মানববন্ধন: লাকিং মে পরিকল্পিত হত্যার শিকার, বিচার দাবি
আটটি সংগঠনের মানববন্ধন: লাকিং মে পরিকল্পিত হত্যার শিকার, বিচার দাবি
এক বছর আগে ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নিজ বাড়ি থেকে স্থানীয় যুবক আতাউল্লাহর নেতৃত্বে কয়েকজন অপহরণ করে লাকিং মে চাকমাকে।

পরে কুমিল্লায় নিয়ে জোর করে ধর্মান্তর, বাল্যবিবাহ এবং শেষে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ পরিবারের।

গত ৯ ডিসেম্বর আতাউল্লাহর ঘরে মারা যান লাকিং মে। মারা যাওয়ার ১২ দিন আগে লাকিং মে জন্ম দেন একটি কন্যাসন্তান। নবজাতকের বয়স এখন ৩৭ দিন। আতাউল্লাহর বাড়িও একই ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা গ্রামে।

তাঁর বাবার নাম নুর আহমদ। ৯ ডিসেম্বর থেকে লাশ হিমঘরে পড়ে ছিল।

এসআই অর্জুন চৌধুরী বলেন, তদন্তে লাকিং মে চাকমার বয়স নাবালিকা অর্থাৎ প্রচলিত আইনে বিয়ের উপযুক্ত হয়নি তার সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই লাকিং মের বিয়ে হয়ে থাকলেও তার আইনগতভিত্তি নেই।

সার্বিক বিবেচনায় ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাঁর (লাকিংমে) শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এটি একটি অপহরণ মামলা হিসেবে আদালতে বিচার কার্য চলবে।

ছবি ও সংবাদ কার্টেসি: প্রথম আলো

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here